1 পরে তৈমনীয় ইলীফস উত্তর দিলেন:
2 “কোনও মানুষ কি ঈশ্বরের পক্ষে লাভজনক হবে?
3 তুমি ধার্মিক হলেও তা সর্বশক্তিমানকে কী আনন্দ দেবে?
4 “তোমার ভক্তি দেখেই কি তিনি তোমাকে তিরস্কার করেন
5 তোমার দুষ্টতা কি অত্যধিক নয়?
6 অকারণে তুমি তোমার আত্মীয়দের কাছ থেকে জামানত চেয়েছ;
7 তুমি ক্লান্ত মানুষকে জল দাওনি
8 যদিও তুমি এক ক্ষমতাপরায়ণ লোক, দেশের অধিকারী ছিলে—
9 আর তুমি বিধবাদের খালি হাতে বিদায় করতে,
10 সেইজন্যই তোমার চারপাশে ফাঁদ পাতা আছে,
11 এত অন্ধকার হয়েছে যে তুমি দেখতে পাচ্ছ না,
12 “ঈশ্বর কি স্বর্গের উচ্চতায় বিরাজমান নন?
13 তবুও তুমি বলো, ‘ঈশ্বর কী-ই বা জানেন?
14 ঘন মেঘ তাঁকে আড়াল করে রাখে, তাই তিনি আমাদের দেখতে পান না
15 তুমি কি সেই পুরানো পথই ধরবে
16 তাদের তো অকালেই উঠিয়ে নেওয়া হয়েছিল,
17 তারা ঈশ্বরকে বলেছিল, ‘আমাদের ছেড়ে দাও!
18 অথচ তিনিই তাদের বাড়িঘর ভালো ভালো জিনিসপত্রে ভরিয়ে দিয়েছিলেন,
19 ধার্মিকেরা তাদের বিনাশ দেখে ও আনন্দ করে;
20 ‘আমাদের শত্রুরা নিশ্চয় ধ্বংস হয়েছে,
21 “ঈশ্বরের হাতে নিজেকে সমর্পণ করো ও শান্তি পাও;
22 তাঁর মুখ থেকে শিক্ষাগ্রহণ করো
23 তুমি যদি সর্বশক্তিমানের দিকে ফেরো, তবে তুমি পুনঃস্থাপিত হবে:
24 ও তোমার সোনার তাল ধুলোতে রাখো,
25 তবে সর্বশক্তিমানই তোমার সোনা হবেন,
26 তখন নিশ্চয় তুমি সর্বশক্তিমানে আনন্দ খুঁজে পাবে
27 তুমি তাঁর কাছে প্রার্থনা করবে, এবং তিনি তোমার প্রার্থনা শুনবেন,
28 তুমি যে সিদ্ধান্ত নেবে তাই সফল হবে,
29 মানুষকে যখন অবনত করা হয় ও তুমি বলো, ‘ওদের তুলে ধরো!’
30 যে নির্দোষ নয় তিনি তাকেও উদ্ধার করবেন,