1 “কিন্তু এখন তারাই আমাকে বিদ্রুপ করে,
2 তাদের হাতের শক্তি আমার কী কাজে লাগত,
3 অভাব ও খিদের জ্বালায় জীর্ণশীর্ণ হয়ে
4 ঝাড়-জঙ্গলে তারা লবণাক্ত শাক সংগ্রহ করত,
5 মানবসমাজ থেকে তারা বিতাড়িত হয়েছিল,
6 তারা শুকনো নদীখাতে, পাষাণ-পাথরের খাঁজে
7 ঝোপঝাড়ে তারা পশুদের মতো ডাক দিয়ে বেড়াত
8 এক হীন ও অখ্যাত কুল হয়ে,
9 “আর এখন সেই যুবকেরা গান গেয়ে গেয়ে আমাকে বিদ্রুপ করে;
10 তারা আমাকে ঘৃণা করে ও আমার কাছ থেকে দূরে সরে থাকে;
11 এখন যেহেতু ঈশ্বর আমার ধনুক বিতন্ত্রিত করেছেন ও আমাকে দুর্দশাগ্রস্ত করেছেন,
12 আমার ডানদিকে উপজাতিরা আক্রমণ করে;
13 তারা আমার পথ অবরুদ্ধ করে;
14 তারা যেন এক প্রশস্ত ফাটলের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে আসে;
15 আতঙ্ক আমাকে অভিভূত করে;
16 “আর এখন আমার জীবনে ভাটার টান এসেছে;
17 রাতের বেলায় আমার অস্থি বিদ্ধ হয়;
18 ঈশ্বর তাঁর মহাপরাক্রমে আমার কাছে পোশাকের মতো হয়ে গিয়েছেন;
19 তিনি আমাকে কাদায় ছুঁড়ে ফেলেছেন,
20 “হে ঈশ্বর, আমি তোমার কাছে আর্তনাদ করেছি, কিন্তু তুমি উত্তর দাওনি;
21 নির্মমভাবে তুমি আমার দিকে ঘুরে দাঁড়িয়েছ;
22 আমাকে ছিনিয়ে নিয়ে তুমি আমাকে বাতাসের সামনে চালান করেছ;
23 আমি জানি তুমি আমাকে মৃত্যুর কাছে নিয়ে যাবে,
24 “একজন বিদীর্ণ মানুষ যখন তার চরম দুর্দশায় সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করে
25 আমি কি বিপদগ্রস্তদের জন্য কাঁদিনি?
26 অথচ আমি যখন মঙ্গলের প্রত্যাশা করেছি, তখন অমঙ্গল এসেছে;
27 আমার ভিতরের মন্থন কখনও থামেনি;
28 আমি কলঙ্কিত হয়েছি, কিন্তু সূর্যের দ্বারা নয়;
29 আমি শিয়ালদের ভাই হয়েছি,
30 আমার চামড়া কালো হয়ে গিয়ে তাতে খোসা ছাড়ছে;
31 আমার বীণা শোকের সুর তুলছে,