1 পরে ইয়োব উত্তর দিলেন:
2 “তোমরা আর কতক্ষণ আমাকে যন্ত্রণা দেবে
3 এই নিয়ে দশবার তোমরা আমাকে গঞ্জনা দিয়েছ;
4 যদি সত্যিই আমি বিপথে গিয়েছি,
5 তোমরা যদি সত্যিই আমার উপরে নিজেদের উন্নত করবে
6 তবে জেনে রেখো যে ঈশ্বরই আমার প্রতি অন্যায় করেছেন
7 “যদিও আমি আর্তনাদ করে বলি, ‘হিংস্রতা!’ তাও আমি কোনও সাড়া পাই না;
8 তিনি আমার পথ অবরুদ্ধ করেছেন যেন আমি পার হতে না পারি;
9 তিনি আমার সম্মান হরণ করেছেন
10 আমি সর্বস্বান্ত না হওয়া পর্যন্ত চতুর্দিকে তিনি আমাকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছেন;
11 তাঁর ক্রোধ আমার বিরুদ্ধে জ্বলে উঠেছে;
12 তাঁর সৈন্যবাহিনী বেগে ধেয়ে আসছে;
13 “তিনি আমার কাছ থেকে আমার পরিবারকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন;
14 আমার আত্মীয়স্বজন দূরে সরে গিয়েছে;
15 আমার অতিথিরা ও আমার ক্রীতদাসীরা আমাকে এক বিদেশি বলে গণ্য করছে;
16 আমি আমার দাসকে ডাকছি, কিন্তু সে উত্তর দিচ্ছে না,
17 আমার নিশ্বাস আমার স্ত্রীর কাছে বিরক্তিকর;
18 ছোটো ছোটো ছেলেরাও আমাকে অবজ্ঞা করে;
19 আমার সব অন্তরঙ্গ বন্ধু আমাকে ঘৃণা করে;
20 অস্থিচর্ম ছাড়া আমি আর কিছুই নই;
21 “আমার প্রতি দয়া করো, হে আমার বন্ধুরা, দয়া করো,
22 ঈশ্বরের মতো তোমরাও কেন আমার পশ্চাদ্ধাবন করছ?
23 “হায়, আমার কথাগুলি যদি নথিভুক্ত করে রাখা যেত,
24 যদি সেগুলি লোহার এক যন্ত্র দিয়ে সীসায় খোদাই করে রাখা যেত,
25 আমি জানি যে আমার মুক্তিদাতা জীবিত আছেন,
26 আর আমার ত্বক নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরেও,
27 আমি স্বয়ং তাঁকে দেখব
28 “তোমরা যদি বলো, ‘আমরা কীভাবে তাকে জ্বালাতন করব,
29 তরোয়ালের ভয়ে তোমাদেরই ভীত হওয়া উচিত;